Margins
Margins
Sign in
Margins
Subscribe to our newsletter
548 Market St PMB 65688, San Francisco California 94104-5401 USA
hello@margins.app
·
+1 (650) 223-5283
Privacy Policy
·
Terms of Use
© 2026 Paratext Inc. All rights reserved
হিমু
Books in series
#1
Mayurakshi
1990
হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত হিমু সিরিজের 'ময়ূরাক্ষী' হল হিমুর সাথে পরিচিতির অ আ ক খ।
#2
দরজার ওপাশে
1992
ফ্ল্যাপে লিখা কথাঃ তার ডাক নাম হিমু। ভালো নাম হিমালয়। বাবা আগ্রহ করে হিলাময় নাম রেখেছিলেন যেন বড় হয়ে সে হিমালয়ের মতো হয়- বিশাল ও বিস্তৃত, কিন্তু ধরা ছোঁয়ার বাইরে নয়। হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়। ইচ্ছে করলে তিনি ছেলের নাম সমুদ্র রাখতে পারতেন। সমুদ্র বিশাল এবং বিস্তৃত। সমুদ্রকে হাত দিয় স্পর্শ করা যায়। তার চেয়েও বড় কথা, সমুদ্র আকাশের ছায়া পড়ে। কিন্তু তিনি সমুদ্র নাম না রেখে রাখলেন হিমালয়। কঠিন মৌ পবর্তমালা, যার গায়ে আকাশের ছায়া পড়ে না ঠিকই কিন্তু সে নিজেই আকাশ স্পর্শ করতে চায়। হিমুর বাবার চেয়েছিলেন হিমু একজন মহাপুরুষ হবে, যে মহাপুরুষ পরম সত্য জানেন। কিন্তু হিমু কি চেয়েছিল? আমরা তার বাবার আকাঙ্ক্ষার কথা জানি, হিমুর আকাঙ্ক্ষা জানি না। সে কিসের সন্ধান করে বা আসলেই সে কোন কিছুর সন্ধান করে কি-না তা নিয়েই লেখা ‘দরজার ওপাশে’। প্রস্তাবনাঃ তার ডাক নাম হিমু। ভালো নাম হিমালয়। বাবা আগ্রহ করে হিমালয় নাম রেখেছিলেন যেন বড় হয়ে সে হিমালয়ের মতো হয়- বিশাল ও বিস্তৃত, কিন্তু ধরা-ছোঁয়ার বাইরে নয়। হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়। ইচ্ছে করলে তিনি ছেলের নাম সমুদ্র রাখতে পারতেন। সমুদ্রও বিশাল এবং বিস্তৃত। সমুদ্রকে হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায়। তার চেয়েও বড় কথা, সমুদ্রে আকাশের ছায়া পড়ে। কিন্তু তিনি সমুদ্র নাম না রেখে রাখলেন হিমালয়। কঠিন মৌন পবর্তমালা, যার গায়ে আকাশের ছায়া পড়ে না ঠিকই কিন্তু সে নিজেই আকাশ স্পর্শ করতে চায়। হিমুর বাবা চেয়েছিলেন হিমু একজন মহাপুরুষ হবে, যে মহাপুরুষ পরম সত্য জানেন। কিন্তু হিমু কি চেয়েছিল? আমরা তার বাবার আকাঙ্ক্ষার কথা জানি, হিমুর আকাঙ্ক্ষা জানি না। সে কিসের সন্ধান করে বা আসলেই সে কোন কিছুর সন্ধান করে কি-না তা নিয়েই লেখা হলো ‘দরজার ওপাশে’। যদিও আমি খুব গুরুত্বের সঙ্গে লেখাটি লিকেছি তবু বিনীত অনুরোধ করছি কেউ যেন গুরুত্বের সঙ্গে লেখাটি গ্রহণ না করেন। মিসির আলী নামে আমার একটি চরিত্র আছে। সে কাজ করে লজিক নিয়ে। তার চিন্তা-ভাবনা গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা যায় কিন্তু হিমু কাজ করে ‘এন্টি-লজিক’ নিয়ে। আমাদের এই জগতে ‘এন্টি লজিকে’র স্থান নেই। হুমায়ূন আহমেদ ৫ই মে ১৯৯২
#3
হিমু
1993
হিমু আমার প্রিয় চরিত্রের একটি। যখন হিমুকে নিয়ে কিছু লিখি- নিজেকে হিমু মনে হয়, একধরণের ঘোর অনুভব করি। এই ব্যাপারটা অন্য কোনো লেখার সময় তেমন করে ঘটে না। হিমুকে নিয়ে আমার প্রথম লেখা ময়ূরাক্ষি। ময়ূরাক্ষি লেখার সময় ব্যাপারটা প্রথম লক্ষ করি। দ্বিতীয়বার লিখলাম দরজার ওপাশে। তখনো একই ব্যাপার। কেন এরকম হয়? মানুষ হিসেবে আমি যুক্তিবাদী। হিমুর যুক্তিহীন, রহস্যময় জগৎ একজন যুক্তিবাদীকে কেন আকর্ষণ করবে? আমার জানা নেই। যদি কখনো জানতে পারি- পাঠকদের জানাব। হুমায়ূন আহমেদ এলিফেন্ট রোড।
#4
পারাপার
1993
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা কাল সারারাত ঘুম হয় নি। ঘুম না হবার কোনো কারণ ছিল না। কারণ ছাড়াই এই পৃথিবীতে অনেক কিছু ঘটে। দিনের আলো ফোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঘুমোতে গেলাম। সঙ্গে সঙ্গে চোখভর্তি ঘুম। কতক্ষণ ঘুমিয়েছি জানি না। ঘুম ভাঙল স্বপ্ন দেখে। আমার বাবাকে স্বপ্নে দেখলাম। তিনি আমার গা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বলছেন, এই হিমু, হিমু, ওঠ। তাড়াতাড়ি ওঠ। ভুমিকম্প হচ্ছে। ধরণী কাঁপছে। আমি ঘুমের মধ্যেই বললাম, আহ, কেন বিরক্ত করছ? বাবা ভরাট গলায় বললেন, পাকৃতিক দুর্যোগের মতো মজার ব্যাপার আর হয় না। ভেরি ইন্টারেষ্টিং। এই সময় চোখকান খোলা রাখতে হয়। তুই বেকুবের মতো শুয়ে আছিস। ঘুমোতে দাও বাবা। তোর ঘুমোলে চলবে না। মহাপুরুষদের সবকিছু জয় করতে হয়। ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘুম। ঘুম হচ্ছে দ্বিতীয় মৃত্যু। সাধারণ মানুষ ঘুমায়-অসাধারণরা জেগে থাকে।......
#5
এবং হিমু ...
1995
Bengali
#6
হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
1996
ফ্ল্যাপে লিখা কিছু কথা ‘যাবার আগে আপনি বলে যাবেন আপনি কে? আমি বললাম,‘মারিয়া আমি কেউ না। I am Nobody." আমি আমার এক জীবনে অনেককে এই কথা বলেছি-কখনো আমার গলা ধরে যায়নি, বা চোখ ভিজে ওঠেনি। দু’টো ব্যাপারই এই প্রখম ঘটল।
#7
হিমুর দ্বিতীয় প্রহর
1997
ফ্ল্যাপে লিখা কিছু কথা "অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম হিমুর সঙ্গে মিসির আলির দেখা করিয়ে দিব। দুজন মুখোমুখি হলে অবস্থাটা কি হয় দেখার আমার খুব কৌতূহল। ম্যাটার এবং এন্টিম্যাটার একসঙ্গে হলে যা হয় তার নাম 'শূন্য'। মিসির আলি এবং হিমুওতো এক অর্থে ম্যাটার এবং এন্টিম্যাটার। দুটি চরিত্রের ভেতর কোনটিকে আমি বেশী গুরুত্ব দিচ্ছি সেটা জানার জন্যও এদের মুখোমুখি হওয়া দরকার। হিমুর দ্বিতীয় প্রহরে এদের মুখোমুখি করিয়ে দিলাম। হুমায়ূন আহমেদ (২৫-২-৯৭)
#8
হিমুর রূপালী রাত্রি
1998
বাবা আমার নাম রেখেছিলাম হিমালয়, হিমালয় থেকে হিমু। দুই অক্ষরের ছোট্ট একটা নাম। নামের মধ্যেই ঠান্ডা ভাব। বাবা বলেছিলেন, হিমালয় শোন, তুই পথে পথে হাঁটবি। তোর কাজ হলো শহর দেখা। আমি অবাক হয়ে বলেছিলাম, শহরে দেখার কি আছে? ইটের দালন। তিনি অত্যান্ত বিরক্ত হয়ে বলেছিলাম, যে দেখতে পারে সে ইটের দালানেও অনেক কিছু দেখতে পারে। যে দেখতে পারে না তাকে এই পৃথিবীর সবচে সুন্দর দৃশ্যের সামনে দাঁড় করিয়ে দিলেও সে কিছু দেখতে পারে না। তুই শহরের পথে পথে হাঁটবি, রাতে হাঁটবি। অন্ধকারে শহর দেখার মজাই অন্য রকম। বাবার উপদেশ মেনে আমি প্রায়ই অন্ধকারে শহর দেখতে বের হই। যে রাতে ব্ল্যাক আউট হয়। শহর ঘন অন্ধকারে ডুব যায়, আমি হলুদ চাদর গায়ে পথে নামি। মনে মনে বলি, হে অন্ধকার নগরী! তুমি দেখা দাও। নগরী দেখা দেয় না। আমি অপেক্ষা করি।
#9
একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁ ঝিঁ পোকা
1999
হিমু কখনো জটিল পরিস্থিতিতে পড়ে না। ছোটখাট ঝামেলায় সে পড়ে। সেই সব ঝামেলা তাকে স্পর্শও করেনা। সে অনেকটা হাঁসের মত। ঝাড়া দিল গা থেকে ঝামেলা পানির মত ঝরে পড়ল। আমার খুব দেখার শখ বড় ঝামেলায় পড়লে সে কী করে। কাজেই হিমুর জন্য বড় ধরণের একটা সমস্যা আমি তৈরি করেছি। এবং খুব আগ্রহ নিয়ে তার কান্ড-কারখানা সেখছি। হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী, গাজীপুর।
#10
তোমাদের এই নগরে
2000
ফ্ল্যাপে লিখা কথা আমি বসে আছি নৌকার গলুইয়ে। পা ঝুলিয়ে বসেছি। নৌকা খুব দুলছে বলেই মাঝে মাঝে নদীর পানিতে পা ডুবে যাচ্ছে। শরীর সিরসির করছে। গায়ে কাঁপন লাগছে। নদীর পানি এত ঠান্ডা হবার কথা না-। এই নদীর পানি এত ঠান্ডা কেন? মনে হচ্ছে বরফ গলা পানি। ঘটনাটি কী? স্বপ্নের নদী না তো?
Author
Humayun Ahmed
Author · 323 books
হিমু
Series ·
25
books · 1990-2012
By
Humayun Ahmed
#11
The Days of Spring Pass
2002
"চলে যায় বসন্তের দিন!" কি অদ্ভূত কথা! বসন্তের দিন কেন চলে যাবে? কোনো কিছুই তো চলে যায় না। এক বসন্ত যায়, আরেক বসন্ত আসে। স্বপ্ন চলে যায়, আবারো ফিরে আসে। আমি হিমু। আমি কেন বলব - 'চলে যায় বসন্তের দিন'।আমার মধ্যে কি কোনো সমস্যা হয়েছে? কী সে্ই সমস্যা?
#12
সে আসে ধীরে
2003
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা হিমু যে হলুদ পাঞ্জবি পরে ঘুরে বেড়ায় সেই পাঞ্জাবির একটি বিশেষত্ব আছে। কেউ কি সেই বিশেষত্ব লক্ষ করেছে ? একটা সময়ে পাঞ্জাবির রঙ এবং পৃথিবীর রঙ একরকম হয়ে যায়। অদ্ভুত স্বপ্নময় হলুদ আলোয় চারদিক ঝলমল করে ওঠে। এই আলোর আরেক নাম ‘কন্যা সুন্দর আলো’ কারণ এই আলোতে অতি সাধারণ চেহারার মেয়েকেও অদ্ভুত রূপবতী মনে হয়। মনে হয় পৃথিবীর সব রূপ নিয়ে সে পৃথিবীতে এসেছে। আমার প্রায়েই জানতে ইচ্ছা করে যখন এই মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়- যখন পৃথিবীর রঙ এবং হিমুর হদুল পাঞ্জাবির রঙ এক হয়ে যায়, তখন হিমু কী করে ? সে কী ভাবে ? তার চেয়েও বড় কথা, হিমুর কাছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের বিশেষত্ব কী?
#13
আঙুল কাটা জগলু
2005
This is the 13th novel of the Himu Series by Humayun Ahmed.
#14
হলুদ হিমু কালো র্যাব
2006
ফ্ল্যাপে লিখা কথাঃ আমার নতুন অবস্থান বর্ণনা করি। আমি হাতলবিহীন কাঠের চেয়ারে বসে আছি। নড়াচড়া করতে পারছি না। আমার হাত পেছনের দিকে বাঁধা।বজ্র আঁটুনি। ফস্কা গিরোর কোনো কারবারই নেই। টনটন ব্যাথা শুরু হয়েছে। আমর সামনে ব সেক্রেটারিয়েট টেবিলের মতো টেবিল। টেবিলের ওপাশে তিন জন বসে আছেন। মাঝখানে যিানি আছেন তাঁর হাতে চেঙ্গিস খানের বই।তিনি অতি মনোযোগে বইটি দেখছেন। বইটার বেতর সাংকেতিক কিছু আছে কিনা ধরার চেষ্টা করছেন বলে মনে হচ্ছে। এক দুই লাইন করে মাঝে মধ্যে পড়েন এবং ভুরু কুঁচকে ফেলেন। ভূমিকাঃ হিমুর যেন ভূমিকা নেই, হিমুকে নিয়ে লেখা উপন্যাসেরও ভূমিকা থাকার কোনো কারণ নেই। তারপরেও লিখিতভাবে বলছি, এই বইয়ের প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক। এদের কারো সঙ্গেই আমার কোনোদিন দেখা হয় নি। হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী, গাজীপুর
#15
Today is Himu's Wedding
2007
Humayun Ahmed ([ɦumaijun aɦmed]; 13 November 1948 – 19 July 2012)[2][3] was a Bangladeshi writer, dramatist, screenwriter, filmmaker, songwriter, scholar, and lecturer.[4] His breakthrough was his debut novel Nondito Noroke published in 1972.[5] He wrote over 200 fiction and non-fiction books, many of which were bestsellers in Bangladesh.[6][7] His books were the top sellers at the Ekushey Book Fair during the 1990s and 2000s.[8] He won the Bangla Academy Literary Award in 1981 and the Ekushey Padak in 1994 for his contribution to Bengali literature.
#16
হিমু রিমান্ডে
2008
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা দুপুরে হেভি খাওয়াদাওয়া হলো। খালু সাহেব অফিসে যান নি। সবাই মিলে একসঙ্গে খাওয়া। শুনলাম কয়েকদিন ধরেই তিনি অফিসে যাচ্ছেন না। তাঁর যে শরীর খারাপ তাও না। তবে চোখে ভরসা হারানো দৃষ্টি। হড়বড় করে অকারণে কথা বলে যাচ্ছেন। পৃথিবীর সবচে’স্বদু খাবার কী- এই বিষয়ে দীর্ঘ বক্তৃতা দিলেন। তাঁর মতে হরিয়াল পাখির মাংস পৃথিবীর সবচে’স্বাদু খাবার। কারণ এই পাখি বটফল খায়, মাছ খায় না। হরিয়াল পাখি কীভাবে রান্না করতে হয় সেই রেসিপিও দিলেন। সব পাখির মাংসে রসুন বেশি নাগে, হরিয়ালের ক্ষেত্রে লাগে না। কারণ এই পাখির শরীরেই রসুনটাইপ গন্ধ। নার্ভাস মানুষরা নার্ভাসনেস কাটাতে অকারণে কথা বলে। খালু সাহেব কোনো কারণে নার্ভাস। ঘটনা কিছু একটা অবশ্যই আছে, তা যাথাসময়ে জানা যাবে।
#17
হিমুর মধ্যদুপুর
2009
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা মধ্যদুপুর বড়ই আশ্চর্য সময়। তখন ‘ভূতে মারে ঢিল্।’ এবং অদ্ভত কোনো কারণে কিছু সময়ের জন্য আকাশটা আয়না হয়ে যায়। হিমু হাঁটতে বের হয়েছে মধ্যদুপুরে। তার হাতে ছোট্ট একটা দুপুরমনি গাছের চারা। সেখানে চার পাঁচটা ফুল। এখনো ফোটেনি। মধ্যদুপুরে ফুটবে। হিমু ফুল ফোটার সঙ্গেসঙ্গে আকাশের দিকে তাকাবে। নিজেকে দেখার চেষ্টা করবে আকাশ আয়নায়।
#18
হিমুর নীল জোছনা
2010
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা মেসের ঘরে হিমু শুয়ে আছে। শহর জুড়ে লোডশেডিং। আকাশে থালার মতো চাঁদ ওঠায় শহর অন্ধকারে ডুবে যায়নি। জানালা দিয়ে হিমুর ঘর জোছনা ঢুকছে। জোছনার কোনো রং থাকে না। শুধু সিনেমার জোছনা হয় নীল। হিমুর কাছে আজ রাতের জোছনা সিনেমার জোছনার মতো নীল লাগছে। নীল জোছনা গায়ে মাখতে ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে নীল রঙ চামড়া ভেদ করে ভেরতে ঢুকে যাচ্ছে। জোছনারাতে বনে যাওয়ার নিয়ম। তার কাছে শহরটাকে মাঝে মাঝে গহীন অরণ্য মনে হয়। শহরের অলিতে গলিতে হাঁটা মানে গহীন বনের ভেতরের গায়ে চলা পথে হাঁটা। ভূমিকা প্রফেশনাল হ্যাজার্ড বলে একটা কথা ইংরেজিতে প্রচলিত আছে। বাংলায় হবে-পেশাগত বিপদ। যে দরজি ছাতা সেলাই করে তার বিপদ হলো, আঙুরে সুঁই ঢুকে যাওয়া। লেদ মেশিন যে চালায় তার বিপদ মেশিনে হাত কাটা পড়া। লেখকদের বিপদ অনেক মেশি। লেখালেখির জন্যে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা আছে। দেশান্তরি হওয়ার ঘটনা তো বাংলাদেশেই আছে। হিমু নিয়ে যখন লেখি এক ধরনের শঙ্কা কাজ করে-না জানি কোন ঝামেলায় পড়ি! বাংলাদেশের মানুষ যথেষ্টই সহনশীল। শুধু ক্ষমতাধর মানুষরা না। তারা আমজনতাকে নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা উপভোগ করেন, তাদের নিয়ে রঙ্গ-রসিকতা সহ্য করেন না। ক্ষমতাবানরা নিজেদের সবকিছুর উর্ধ্বে ভাবেন। আমি এই বইতে কিছু কঠিন রসিকতা করেছি। সরি, আমি না, হিমু করেছে। সমস্যা হলে হিমুর হবে। একটা ভরসা আছে, হিমু চাঁদের আলো ছাড়া কোনো কিছুই গায়ে মাখে না। হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী
#19
হিমুর আছে জল
2011
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা ছোট্ট লঞ্চ দুলছে। একবার বাঁদিকে কাত হচ্ছে, আরেকবার ডানদিকে কাত হচ্ছে। সারেঙের অ্যাসিসটেন্ট হাবলু এসে জানিয়ে গেছে, স্যার লঞ্চ ডুবল বইলা। সময়ের অপেক্ষা। সব কিছুতেই ‘অপেক্ষা’ থাকে। ফাঁসির আসামিও অপেক্ষা করে কখন দড়ি গলায় পরবে। কখন জল্লাদ হ্যাঁচকা টান দিবে। আমি এবং তৃষ্ণা বসে আছি কেবিনে। কেবিনের দরজা বন্ধ। আমাদের সামনে কম্পমান মোমবাতি। মোমবাতিও অপেক্ষা করছে কখন সে দমকা বাতাসে নিভবে। ভূমিকা হিমুর পায়ের নিচে সবসময় মাটি থাকে। সে হেঁটে বেড়ায় বিষণ্ন ঢাকা নগরীর পথে পথে। আচ্ছা, তার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরিয়ে নিলে কেমন হয় ? সে থাকুক কিছু সময় পানির উপরে। দেখা যাক তার চিন্তা ভাবনায় কোনো পরিবর্তন আসে কি না। ও আচ্ছা! এবার তাকে তার কাছাকাছি চরিত্রের তরুণীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। মেয়েটির নাম তৃষ্ণা। তৃষ্ণা নিয়ে রবীন্দ্রানাথ লিখেছেলেন, “চক্ষে আমার তৃষ্ণা, তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে।” সেখানে সম্পূর্ণ তৃষ্ণামুক্ত (?) হিমু কী বলবে। হুমায়ুন আহমেদ দখিন হাওয়া ধানমণ্ডি
#20
হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী
2011
ফ্ল্যাপে লিখা কথা বৃষ্টিস্নাত রজনীতে ঢাকা নগরীতে হিমু ছাড়াও একজন মানুষ ঘুরে বেড়ায়। সে অন্যদের চেয়ে উচ্চতায় লম্বা। অন্ধকারেও তার চোখে থাকে কালো চশমা। হাতে ধবধরে শাদা গ্লাভস। এরা মানুষের খুব কাছে কখনো আসে না দূরে দাঁড়িয়ে পাখির মত শব্দ করে। হিমু এদের নাম দিয়েছে পক্ষী মানব। এক বৃষ্টিস্নাত রাতে হিমু বের হয়েছে পক্ষীমানবের সন্ধানে, তার সঙ্গে আছে একজন রাশিয়ান পরী। ভূমিকা আমাদের কালচারে অনুরোধে ঢেঁকি গেলার ব্যাপারটা আছে। লেখালেখি জীবনের শুরুতে প্রচুর ঢেঁকি গিলেছি। শেষের দিকে এসে রাইস মিল গেলা শুরু করেছি। “হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী” তার উদাহরণ। বৎসরে আমি একটাই হিমু লিখি। বিশ্বকাপ বাংলাদেশে হচ্ছে বলে দু’জন হিমু। একজন মাঠে বসে খেলা দেখবে অন্যজন পথে পথে হাঁটবে। হুমায়ূন আহমেদ নুহাশপল্লী
#21
হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টু ভাই
2012
ফ্ল্যাপে লিখা কথাঃ হিমু। বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রেগুলোর একটি। অদ্ভুত ও মজার নানা ঘটনার মুখোমুখি হয় সে নানা সময়ে। কখনো কখনো এইসব ঘটনার নিয়ন্ত্রক সে-ই। অলৌকিক ক্ষমতার দরুন বহু ঘটনার পূর্বাভাসও পায় হিমু। হিমুর নতুন এই উপাখ্যানটি রচিত হয়েছে হার্ভার্ডের ফিজিক্সের পিএইচডি ডক্টর আখলাকুর রহমান চৌধুরী ওরফে বল্টু এবং তার সংগে হিমুর সম্পৃক্ততাকে ঘিরে। তুতুরি নামে অদ্ভুত এক মেয়েও এই উপাখ্যানের অন্যতম চরিত্র। হিমুর মাজেদা খালার বান্ধবীর মেয়ে তুতুরি। হার্ভার্ড পিএইচডি বল্টুভাইয়ের সংগে তার বিয়ে দিতে আগ্রহী মাজেদা খালা। এদিকে হিমু সম্প্রতি এক মাজারের খাদেমের অ্যাসিসটেন্টগিরি করছে। খাদেম মানুষটি অদ্ভুত। তিনিও এই উপাখ্যানের একটি চরিত্র। এছাড়া তুতুরির এক শিক্ষক-ছাত্রীদের নানাভাবে ভুলিয়ে পাশবিক বাসনা চরিতার্থ করাই যার অন্যতম উদ্দেশ্যে-তার কথাও এই উপাখ্যানে বর্ণিত হয়েছে। নানা ঘটনা পরম্পরায় হিমুকে কেন্দ্র করে উপন্যাসের কাহিনি এগিয়েছে সাবলীলভাবে। হিমু-সিরিজের অন্য উপন্যাসগুলোর মতোই এই উপন্যাসটিও হিমু-ভক্তদের আলোড়িত করবে। ভূমিকাঃ আমার কিছু পাঠক আছেন, যারা হিমু-বিষয়ক রচনাগুলি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন। এই উপন্যাসটির ক্ষেত্রে তারা যেন সে রকম কিছু না ভাবেন। এখানে গল্পকার হিসাবে আমি নেহায়েত এই গল্প ফেঁদেছি। ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে তুলনামূলক আলোচনায় যাই নি। সেরকম ইচ্ছা আমি জটিল প্রবন্ধই লিখব। হিমু রচনায় হাত দেব না। হিমু-বিষয়ক প্রতিটি লেখাতেই আমি এই ভুবনের রহস্যময়তার দিকে ইঙ্গিত করেছি। তার বেশি কিছু না। আমি নিজে জগতের রহস্যময়তা দেখে প্রতিনিয়ত অভিভূত হই। আমি চাই, আমার পাঠকরাও অভিভূত হোক। হুমায়ূন আহমেদ জ্যামাইকা, নিউইয়র্ক
#22
হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য
2008
বই বিষয়ে চৈনিকদের একটি প্রবচন হচ্ছে- বই হলো একটা বাগান যা পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো যায়। গল্প সংকলনের জন্য এই প্রবচন খুব সত্যি। বাগানে নানান ধরনের ফুল, সৌরভ আছে বর্ণ নেই। বর্ণ আছে গন্ধ নেই। গল্প সংকলনেও তো এই ব্যাপারই। প্রতিটি গল্প শুরুর আগে গল্প বিষয়ে কিছু কথাবার্তা বললাম। গল্পটি কেন লিখেছি, কিভাবে লিখেছি এই সব হাবিজাবি। যে সমস্ত পাঠক হাবিজাবি পছন্ত করেন না তারা মূল গল্পে চলে গেলে ভাল হয়। সংকলনটি নাম আমার দেয়া না। প্রকাশকের দেয়া। তার ধারণা হিমু নামটা কোন না কোন ভাবে থাকা মানেই বেশি বিক্রি। আমি তরুণ প্রকাশকের ভুল ভাঙ্গাইনি। হুমায়ূন আহমেদ
#23
হিমুর বাবার কথামালা
2009
হিমুর বাবা মানুষটা কিরকম? বেঁটে, মোটা, কুৎসিত? কি পোষাক পরতেন? লুঙ্গি-গামছা, হাফপেন্ট, টি-শার্ট? নাকি, হিমুর মতো হলুদ পাঞ্জারী? তাঁর নাম কি? বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র হিমু’র বাবাকে নিয়ে এই বই \* যারা হিমু নয় এই বইটি তাদের জন্য নিষিদ্ধ
#27
হিমু সমগ্র
2006
Books contents are arriving very soon. Keep watching this Marketplace for your desire books and enrich your collection.
#1-14
হিমু সমগ্র ১
2006
সূচিপত্র ময়ূরাক্ষী দরজার ওপাশে হিমু পারাপার এবং হিমু... হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম হিমুর দ্বিতীয় প্রহর হিমুর রূপারী রাত্রি একজন হিমু কয়েকটি ঝিঝিপোকা তোমাদের এই নগরে চলে যায় বসন্তের দিন সে আসে ধীরে আঙুল কাটা জগলু হলুদ হিমু কালো র্যাব